Home » কিভাবে অনলাইনে এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করবেন?

কিভাবে অনলাইনে এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করবেন?

by ITAB Content Team

কিভাবে অনলাইনে এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করবেন?

প্রথমেই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে চলে যান। পরবর্তীতে নতুন নিবন্ধনের জন্য আবেদন নামে একটি অপশন দেখতে পাচ্ছেন। আবেদন করুন এই বাটনে ক্লিক করুন।

Image:

অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন নামে একটি পেইজ দেখতে পারবেন এখানে আপনার পুরো নাম ইংরেজিতে লিখুন, জন্মতারিখটি দিন, এবং ক্যাপচারিটি ফিলাপ করে তারপর বহাল বাটনে ক্লিক করুন। আপনার জন্মনিবন্ধনের তথ্যানুযায়ী নাম ও জন্মতারিখটি দিন।

পরবর্তীতে আপনাকে একাউন্ট নিবন্ধনের জন্য একটি মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। আপনি এখানে একটি মোবাইল নাম্বার দিবেন এবং এই মোবাইল নাম্বারে আপনার একটি কোড আসবে। নাম্বারটি যেন ওপেন থাকে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

পরবর্তীতে আপনার নাম্বারে ওটিপি কোডটি আসলে কোডটি দিয়ে দিন।

এখন আপনি একটি নতুন ইন্টারফেস দেখতে পারবেন যেখানে আপনার প্রোফাইলটি দেখাবে। বিস্তারিত প্রোফাইল এই বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করলে আপনি একটি নতুন পেজ দেখতে পারবেন যেখানে আপনি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, অন্যান্য তথ্য এবং ঠিকানা নাম এর তিনটি অপশন দেখতে পারবেন।

এখান থেকে আপনি আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো দিয়ে দিবেন। পাশাপাশি অন্যান্য তথ্যগুলো যুক্ত করতে পারবেন এবং আপনার যে বর্তমানে এবং স্থায়ী ঠিকানা আছে সেটাও সেট করে দিতে পারবেন। তথ্যগুলো যুক্ত করার জন্যে ডানদিকে এডিট নামে যে একটি একটি বাটন দেখতে পাচ্ছেন সেটিতে ক্লিক করুন।

এডিট অপশনে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো যুক্ত বা কিংবা পরিবর্তন করতে পারবেন। নাম, জন্ম নিবন্ধন নাম্বার, আপনার লিঙ্গ, জন্মস্থান, রক্তের গ্রুপ, জাতীয়তা ইত্যাদি নির্বাচন করে দিতে হবে।

পাশাপাশি আপনার পিতা ও মাতার নাম ও এখানে সাবমিট করতে হবে। কারণ এটি একটি ম্যান্ডাটরি ফিল্ড যা রেড মার্ক করে দেয়া আছে। বড়ভাই/বোনের তথ্য আপনি চাইলে দিতে পারেন আবার নাও দিতে পারেন।

আপনি যদি বিবাহিত হন তাহলে স্বামী/স্ত্রীর তথ্য এই অপশনটি আপনার জন্যে প্রযোজ্য। অন্যথায় এই অপশনটি না পূরণ করলেও হবে।

ব্যক্তিগত তথ্যগুলো পূরণ করা সম্পন্ন হয়ে গেলে এবার অন্যান্য তথ্য এর যে অপশন গুলো আছে সে অপশন গুলো পূরণ করতে হবে।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা,ধর্ম এই তিনটি অপশন অবশ্যই পূ্রণ করতে হবে। আর যদি আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, টেলিফোন নাম্বার, অসমর্থতা ইত্যাদি থাকলে সেগুলো পূরণ করবেন। আর যদি না থাকে তাহলে পূরণ করতে হবে না।

অন্যান্য তথ্যগুলো পূরণ করা হয়ে গেলে স্থায়ী ঠিকানা এবং অস্থায়ী ঠিকানা পূরণ করে দিতে হবে। আপনি কোন ঠিকানায় ভোটার হতে চাচ্ছেন সেটি আপনাকে সিলেক্ট করে দিতে হবে। আপনি কি আপনার বর্তমান ঠিকানায় ভোটার হতে চান নাকি আপনি আপনার স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার হতে চান আপনি সিলেক্ট করে দিবেন। নিচে বর্তমান ঠিকানার অপশনে তথ্যগুলো পূরণ করে দিন এবং স্থায়ী ঠিকানা অপশনে স্থায়ী ঠিকানাটি বসিয়ে দিন।

যদি আপনার বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা একই হয় তাহলে উভয় ক্ষেত্রেই একই তথ্য ব্যবহার করুন।

তথ্যগুলো পূরণ করা হয়ে গেলে উপরের দিকে আসুন এবং পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

অনলাইনে আপনাক কোনরকম কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। তাই আবারো পরবর্তী এই বাটনে ক্লিক করুন।

নতুন একটি ইন্টারফেস দেখতে পাচ্ছেন। একটি লেখা দেখা যাচ্ছে যে, আপনার একটি অ্যাপ্লিকেশন পেন্ডিং রয়েছে। ডাউনলোড নামে একটি বাটন দেখতে পাচ্ছেন। বাটনটিতে ক্লিক করুন এবং আপনার পূরণ করা ফর্মটি ডাউনলোড করে নিন।

ফর্মটি ডাউনলোড করা হলে প্রিন্ট করে নিন। ফর্মের যে তথ্যগুলো বলা আছে, সে তথ্য গুলো আপনি কোনরকম যেন ভুল না হয় সেদিকে লক্ষ্য করে পূরণ করুন। পাশাপাশি আপনাকে এই ফর্মের সাথে কিছু ডকুমেন্ট ও জমা দিতে হবে। যেমন: জন্ম নিবন্ধন, পিতা কিংবা মাতার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, স্থায়ী ঠিকানার বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি, আপনার এসএসসি / এইচএসসি সমসমানের সনদ আপনার উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে।

পরবর্তীতে, আপনার ছবি তোলার তারিখটি এসএমএস কিংবা ফোন কলের মাধ্যমে তারা জানিয়ে দিবেন এবং আপনি গিয়ে ছবি, ফিঙ্গার ও চোখের আইরিস স্ক্রান করে আসবেন। সবকিছু করা হয়ে গেলে এবং এনআইডি কার্ডটি এসে পড়লে পরবর্তীতে আবারো এসএমএস এর মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে এবং সেটি আপনি সংগ্রহ করে নিবেন। পাশাপাশি আপনি অনলাইন থেকেও এনআইডি কার্ডটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা / FAQ (Frequently Asked Questions)

1. এনআইডি কার্ড অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব কি?

হ্যাঁ। বাংলাদেশে এখন ভোটারদের জন্য এনআইডি কার্ডের আবেদন অনলাইনে করা যায়, বিশেষ করে নতুন বা নবায়ন প্রয়োজন হলে।

2. কোন ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হয়?

Bangladesh Election Commission এর অফিসিয়াল পোর্টাল (https://services.nidw.gov.bd) ব্যবহার করে আবেদন করতে হয়।

3. অনলাইনে আবেদন করার জন্য কী কী তথ্য প্রয়োজন?

  • পূর্ণ নাম
  • জন্ম তারিখ
  • জন্ম নিবন্ধন নম্বর বা পুরোনো NID নম্বর
  • স্থায়ী ঠিকানা
  • সক্রিয় মোবাইল নম্বর

4. নতুন ভোটারের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া কেমন?

১) NID পোর্টালে অ্যাকাউন্ট তৈরি
২) ব্যক্তিগত তথ্য ও ঠিকানা পূরণ
৩) প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড
৪) সাবমিট করে OTP যাচাই করা

5. নবায়নের জন্য কি আলাদা আবেদন প্রয়োজন?

না। পুরোনো NID ব্যবহার করে লগইন করে আবেদন ফর্মে তথ্য যাচাই ও আপডেটের মাধ্যমে নবায়ন করা যায়।

6. আবেদন ফি কত?

সাধারণত নতুন আবেদন বা নবায়নের জন্য ফি প্রযোজ্য হয় না। তবে বিশেষ সার্ভিস বা এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে ফি হতে পারে।

7. মোবাইল ব্যবহার করে আবেদন করা যায় কি?

হ্যাঁ। স্মার্টফোন বা ট্যাব ব্যবহার করে সহজেই অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব।

8. আবেদন করার পর কতদিনে NID কার্ড পাওয়া যায়?

সাধারণত আবেদন করার ৭-১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ শেষ হয়। তবে ঠিকানা যাচাই ও ডাক প্রক্রিয়ার ওপর সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

9. আবেদন স্ট্যাটাস কীভাবে চেক করবো?

পোর্টালে লগইন করে “Application Status” অপশনে ক্লিক করলে আবেদন প্রক্রিয়ার স্ট্যাটাস দেখা যায়।

10. আবেদন বাতিল বা ভুল হলে কী করবো?

যদি তথ্য ভুল থাকে, সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন ফর্মে আপডেট করতে হবে অথবা স্থানীয় উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

11. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো কীভাবে আপলোড করতে হয়?

PDF, JPEG বা PNG ফরম্যাটে আপলোড করা যায়।

12. নিরাপত্তার জন্য কি সতর্কতা নেওয়া উচিত?

পাবলিক কম্পিউটারে লগইন করলে কাজ শেষে লগআউট নিশ্চিত করুন। NID নম্বর, OTP বা লগইন তথ্য অন্য কারও সাথে শেয়ার করবেন না। শুধুমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।

Was this article helpful?
Yes0No0

You may also like

Leave a Comment